উত্তর ব্রিগেড ‘সংযুক্ত মোর্চা’-র ধারাবিবরণী
দীপেন্দু চৌধুরী
তখনও সবাই এসে
পৌঁছতে পারেননি। কলকাতা শহরতলীর রাস্তায় ওরা আটকে আছে। যেহেতু তিনটে আলাদা আলাদা দলের ব্রিগেড তাই স্মার্টফোন হাতে
নিজের নিজের দলের নেতৃত্ব ফোন করে জেনে নিচ্ছেন। তাঁদের দলের কর্মী-সমর্থকরা কত দূরে আছেন। সব ঠিকঠাক আছে কিনা। কেউ কেউ স্মার্ট ফোনে
টিভির পর্দায় চোখ রাখছে। আপডেট খবরে জেনে নিতে। আমি নিজেও বার কয়েক স্মার্টফোনে
খবর দেখেছি। ‘গোদী মিডিয়া’-র সঙ্গে যুক্ত বাংলা, হিন্দি-ইংরেজি টিভি চ্যানেলগুলিও
এদিন তাঁদের ‘লাইভ’ কভারেজে কিছু কিছু ছবি দেখিয়েছে। অথবা সংবাদ মাধ্যমের শর্ত
মেনে দেখাতে বাধ্য হয়েছে। দু’ই মেদিনীপুর জেলার মানুষ ১০-১২ বছর পর বাড়ির বাইরে
বেড়িয়ে এসেছে। সাহস যুগিয়েছে এই জোটের ‘যূথবদ্ধ’ আহ্বান। স্বাধীনভাবে তাঁরা
নিজেদের কথা বলছে। যারা মিছিলে যাচ্ছে তাঁদের মাথায় পুস্পবৃষ্টি করতেও দেখা গেছে
মা-মাসিমাদের।
বিভিন্ন জেলা
থেকে কাতারে কাতারে মানুষ কলকাতা এসে পৌঁছেছে। সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। পূর্ব
মেদিনীপুরের এক সাংবাদিকের সঙ্গে দেখা হল। ২০১১ সাল থেকে চাকরি নেই। সাংবাদিকতার
সরকারি কার্ড নেই। তবু তিনি ‘ফ্রী লান্স’ সাংবাদিকতা করে যাচ্ছেন। তৃণমূল-বিজেপি
সরকারের উপর সমস্ত রাগ অভিমান উগড়ে দিলেন। মূহু মূহু স্লোগান উঠছে ইনক্লাব
জিন্দাবাদ, বন্দে মাতরম, ‘ভাইজান’ জিন্দাবাদ। ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ)-র
নেতা আব্বাস সিদ্দিকির দলের সমর্থক ওরা। ২৫-৩০ বছর বয়স হবে। ব্রিগেডের মঞ্চের
সামনে এসে বসে পড়েছে। না কোনও ধর্মীয় স্লোগান সে দিন ওদের মুখে ছিল না ।
এই ছিল সকাল ১১
টার ব্রিগেড। বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সুশৃঙ্খলভাবে বাম-কংগ্রেস এবং সদ্য গঠিত আইএসএফ
কর্মী- সমর্থকরা ব্রিগেডের মাঠে আসছে। নিজেদের দলের পতাকার সঙে
সঙ্গে কেউ এসেছে শিব ঠাকুর সেজে। কেউ এসেছে গণ সঙ্গীতের দলের সঙ্গে। তার মধ্যেই
বেশ কিছু ব্যতিক্রমী দৃশ্যও দেখা গেল। বিজেপি-তৃণমূল (বাম-কংগ্রেস সমর্থকদের
ভাষায় ‘বিব্জেমূল’) কে
উদ্দেশ্য করে লেখা রাজনৈতিক কার্টুন। কংগ্রেসের ছাত্র-যুবরা প্ল্যাকার্ড হাতে
হাজারে হাজারে আসছে। ঠেলা রিক্সায় গ্যাস সিলিন্ডার চাপিয়ে আনা হয়েছে। প্ল্যাকার্ডে
লেখা, বিজেপি সরকার জ্বালানি তেল, গ্যাসের দাম কেন বাড়ানো হল তার জবাব দাও। নিচে
‘দলবদলের লড়াই নয়, তোমার আমার লড়াই আজ দিন বদলের’। কোনও প্ল্যাকার্ডে ইউপিএ
সরকারের আমালের জিডিপির হিসেব লিখে আনা হয়েছে, নিচে লেখা ‘অধীর ভরসায় ব্রিগেড
যাব’। একদল তরুণ-তরুণী মাঠে বসে গান ধরেছে, ‘ওই বিজয়ের কেতন ওড়ে তোরা সব জয়ধ্বনি
কর, তোরা সব জয়ধ্বনি কর’।
মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসেছেন। বেলা যত
গড়িয়েছে। শীতঘুম ভেঙে বসন্তের প্রখর সূর্য তাপ-উত্তাপ বাড়িয়েছে। সোনালি রোদের
অভ্যর্থনা। সঙ্গে যেন সারা ব্রিগেডের গর্জন বেড়েছে। লাল পতাকা, কংগ্রেসের পতাকা,
আইএস এফের পতাকা আর শুধু কালো কালো মাথা। ব্রিগেডের আশপাশের গাছে লাল পলাশ-শিমূলের
রাোমাঞ্চ, নস্টালজিক করেছে কাউকে কাউকে।
অতীতের স্মৃতি ফিরিয়ে দিয়েছে। আমগাছ থেকে শুকনো মুকুল ঝরে পড়ছে। পুরনো গাছে নতুন
সবুজ পাতায় প্রকৃতির মহাসম্মেলন।
২৮ ফেব্রুয়ারির ব্রিগেডের
সমাবেশ অতীতের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে ফেলতে পারে বলে দাবি করেছিলেন সিপিএমের প্রবীণ
নেতা ও বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। তার বক্তব্য ছিল ১৯৫৫ সালের ২৯ নভেম্বর
তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী নিকোলায় বুলগানিন ও সোভিয়েত কমিউনিস্ট
পার্টির সাধারণ সম্পাদক নিকিতা ক্রুশ্চেভ ব্রিগেডের গণ-সংবর্ধনা সভায় এসেছিলেন। ভারতের
তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু এবং বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র রায়
তাঁদের গণ-সংবর্ধনার ব্যবস্থা করেছিলেন। অবিভক্ত কমিউনিস্ট
পার্টির সম্পাদক অজয় ঘোষও সে দিন উপস্থিত ছিলেন । ১৯৫৫ সালের সেই
সমাবেশকেই সর্বকালের বৃহত্তম বলে অনেকে মনে করেন। বিমানবাবুর সমবয়সী কারও কারও মতে
১৯৭২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমানকে নিয়ে যে ব্রিগেড সমাবেশ হয়েছিল
সেটাই সর্বকালের জন্য বৃহত্তম হয়ে আছে।
বাম-কংগ্রেস এবং
সংযুক্ত মোর্চার নেতৃত্বে ২৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনী জোটের সমাবেশে ভিড় আগের
উল্লেখিত দু’টোর কাছাকাছি ছিল বলা যেতেই পারে। ব্রিগেডের যা ধারণ ক্ষমতা সাড়ে
চারলাখের বেশি লোকের জমায়েত মাঠে হতে পারে না। এই দিনের ব্রিগেডে অবশ্যই লাখ তিনেক
মানুষ এসেছিলেন। যেটা বাম-কংগ্রেসের ভাটার রাজনীতির সময় উল্লেখযোগ্য। স্বীকার করতেই
হবে এই ভিড়ের অন্যতম কারণ ‘ভাইজান’ আব্বাস সিদ্দিকির আইএসএফ দলের স্বক্রিয়
কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি। ভিড়ের বহর দেখে স্বভাবতই উচ্ছসিত সিপিআইয়ের ডি রাজা,
ছত্তীশগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী,
সিপিএমের সীতারাম ইয়েচুরি।
রাজ্যের বিধানসভা
ভোটের আগে ‘সংযুক্ত মোর্চা’ গড়ে তোলার গর্বিত ঘোষণা হয়ে গেছে। ব্যতিক্রমী দৃশ্য
দেখা গেল, একই মঞ্চে সীতারাম ইয়েচুরি এবং অধীর চৌধুরী উপস্থিতি। বিজেপি ও তৃণমূলকে একই
মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ বলে আক্রমণ শানালেন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি।
তাঁর আহ্বান ‘’না লুঠপাটের সরকার না জাতপাতের সরকার, এ বার চাই জনহিতের সরকার।‘’
তাঁর আরও ব্যাখ্যা, সংযুক্ত কিসান মোর্চার নতুন অধ্যায় বাংলার ‘সংযুক্ত মোর্চা’। সিপিএমের
রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র বলেন, বিকল্প সরকারকে সুযোগ দিলে শিক্ষা,
স্বাস্থ্য, শূন্যপদে নিয়োগ, নতুন কর্মসংস্থান, পুরসভা ও পঞ্চায়েতে স্বচ্ছ
পরিচালনার দায়িত্ব নেবে। ছত্তিশগড়ের কংগ্রেস সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল
বলেন, ‘’কাল লড়ে থে গোরোঁ সে, আজ লড়েঙ্গে চোরেঁ সে।‘’ আরও ধার বাড়িয়ে বিজেপিকে
আক্রমণ করে তিনি বলেন, ‘’নেতাজি যখন ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন, তখন
শ্যামাপ্রসাদ, সাভারকরেরা ইংরেজদের সাহায্য করেছিলেন। ওঁদের মুখে দেশপ্রেমের কথা
মানায় না।‘’ প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, ‘’এই সংযুক্ত মোর্চা তৈরি হয়েছে
সাম্প্রদায়িক বিজেপির আগ্রাসন রুখে দেওয়ার লক্ষ্যে। আর হ্যা, অবশ্যই
দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূলের শাসনের অবসান ঘটানোর জন্য। মোদী এবং দিদির রাজনৈতিক ডিএনএ
একই। সংযুক্ত মোর্চার হাত ধরে বাংলায় রামধনু দেখা যাবে।‘’
এই পর্যন্ত
স্বতঃস্ফূর্ত ব্রিগেডে সুর ছিল স্বচ্ছ নীল আকাশের নীচে রামধনু রঙে আঁকা। আশা,
স্বপ্ন, উদ্দীপনায় ভরা তারুণ্যের ব্রিগেড। সুর কাটল অধীর চৌধুরীর বক্তব্যের সময়।
মঞ্চে উঠছেন সদ্য গঠিত ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের নেতা আব্বাস সিদ্দিকি। তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে
এগিয়ে গেছেন সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিম। ফুরফুরা শরিফের ‘ভাইজান’ আব্বাস সিদ্দিকি
মঞ্চে ওঠার সময় তাঁর কর্মী সমর্থকদের স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছাসে, স্লোগানে প্রদেশ
কংগ্রেস সভাপতি তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা তাঁর বক্তব্য কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ রাখেন।
মহম্মদ সেলিম এগিয়ে গিয়ে কিছু একটা বলেন অধীরবাবুকে। অধীরবাবু বক্তৃতা বন্ধ
করে সরে যেতে চান। বর্ষীয়ান কমিউনিস্ট নেতা বিমান বাবুকেও কথা বলতে দেখা যায়। তিনি
অধীরবাবুকে অনুরোধ করেন, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলতে শুরু করেছেন, বক্তৃতা যেন শেষ
করেন তিনি। এরপরেই নিজের বক্তৃতা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত বলেন, অধীরবাবু। আব্বাস
সিদ্দিকী নিজেও সমর্থকদের শান্ত হতে অনুরোধ করেন। এবং তিনি নমস্কার করে সৌজন্য
প্রকাশ করেন অধীরবাবুর প্রতি। এর পরেও তিক্ততা কাটেনি। নিজের বক্তৃতায় বাম
প্রার্থীদের জন্য রক্ত দিয়ে লড়াইয়ের কথা বললেও কংগ্রেসের নাম উচ্চারণ করেন নি
আব্বাস। সেই প্রসঙ্গ উত্থাপন করে ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা বলেন, ‘’কেউ কেউ বলতে
পারেন, কেন আমি কংগ্রেসের কথা বলছি না? বামেরা সদিচ্ছা দেখিয়েছে, ত্যাগ স্বীকার
করেছে। কংগ্রেসকে বলছি, বন্ধুত্বের হাত বারালে আমাদের দরজা খোলাই আছে। তাঁদের
জন্যও লড়াই করব।‘’ আব্বাস আরও বলেন, ‘’আমরা ভাগ চাইতে এসেছি, তোষণ করতে নয়!
বাবাসাহেব বলেছিলেন, ভিক্ষে করে কিছু মেলে না। হক বুঝে নিতে হয়।‘’
মঞ্চে তখন বসে
এআইসিসির তরফে রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক জিতিন প্রসাদ। মঞ্চ ছাড়ার আগে
জিতিন সীতারাম ইয়েচুরি এবং মহম্মদ সেলিমের সঙ্গে আলোচনা করে যান। ব্রিগেডের সভায়
ছোট্ট একটা ঘটনার প্রভাব যাতে জোটে না পড়ে, সে ব্যপারে অভিঞ্জ রাজনীতিবিদ এবং অভিভাবকেরমতো
সযত্ন মন্তব্য করেন অধীরবাবু। ১ মার্চ তিনি বলেন, ‘’নেতারা মঞ্চে উঠলে দলের
কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে এই ধরনের উল্লাস দেখা যায়। রাহুল বা প্রিয়াঙ্কা গাঁধি যদি
ব্রিগেডে আসতেন, তা হলে কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থদের মধ্যেও উদ্দীপনা তৈরি হত। হইচইটা
থিতিয়ে যাওয়ার জন্য আমি অপেক্ষা করতে চেয়েছিলাম। আমার অসন্তুষ্ট বা ক্ষুব্ধ হওয়ার
কোনও ব্যাপার নেই।‘’ প্রদেশ সভাপতির এই যুক্তি মিলে যায়, সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক
সূর্যকান্ত মিশ্রের বক্তব্য রাখার সময় আইএসএফের চেয়ারম্যান নৌসাদ সিদ্দিকির মঞ্চে
আসেন। তাঁদের দলের সমর্থকরা স্লোগান দিতে শুরু করে। সূর্যবাবু কিছুক্ষণের জন্য
বক্তব্য থামিয়ে দেন।
সংযুক্ত মোর্চা
নামক জোটের অন্যতম অভিভাবক হিসেবে বিমান বসু বলেন, ‘’ওঁদের দলের পক্ষ থেকে আমি কথা
বলতে পারি না। তবে আমরা এটা সমর্থন করি না। সবাই যখন থাকে, তখন সেই মঞ্চে এক সুরে
কথা বলতে হয়। ওঁদের নতুন দল। আশা করি, দ্রুত এটা ওঁদের উপলব্ধি হবে।‘’ আইএসএফ নেতা
আব্বাস সিদ্দিকি ১ মার্চ বলেন, ‘’অধীর চৌধুরীকে বলছি, আমি দুঃখ প্রকাশ করছি। তাঁকে
চিঠি দিয়েছি, ভোট ভাগাভাগি যাতে না হয়, তাই আমাদের কিছু আসন যদি ছাড়া হয়।‘’ এই
বিতর্ক থামতে না থামতে নতুন বিতর্ক খুঁচিয়ে দিয়েছে, বিজেপি এবং তৃণমূল। হচ্ছে
সমালোচনা। প্রশ্ন তুলছে বিজেপি এবং তৃণমূল নেতৃত্ব। বাম এবং কংগ্রেস কেন মোলবাদী
শক্তির সঙ্গে হাত মেলাল? কংগ্রেস এবং বামেদের যুক্তি আইএসএফের মতাদর্শ, মৌলবাদী
সংগঠনের সঙ্গে মেলেনা। আইএসএফ দলের পথ আলাদা। ওঁরা শুধু ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের
প্রতিনিধিত্ব করছে বলা হচ্ছে, এটা ঠিক নয়। আইএসএফ তফসিলি জাতি, জনজাতি, দলিত বা
সাধারণ প্রার্থীও দেবে। বিতর্কের কারণে বাম নেতাদের কেউ কেউ বলছেন, ব্রিগেডের
সমাবেশে তাঁদের দিক থেকে একটা ভুল হয়েছে। মঞ্চে আইএসএফের সভাপতি শিমূল সোরেন
ছিলেন। তাঁকে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া উচিত ছিল।
প্রবীণ এক
কংগ্রেস নেতা যেমন বললেন, ধর্ম-নিরপেক্ষ রাষ্ট্রের কাঠামো পালটে ফেলার আগে এর অর্থ
বুঝতে হবে। ধর্মের সঙ্গে রাষ্ট্রের ঐতিহাসিক সম্পর্ক সম্বন্ধ ইত্যদি বিষয়ে আমাদের
সবার জানা উচিত। নিরপেক্ষতার প্রয়োজন হয়েছিল কেন? কোন সময়ে কি পরিপ্রেক্ষিতে?
রাষ্ট্রের ধর্ম-নিরপেক্ষতার অপরিসীম গুরুত্ব কতটা সেটা আজও আমাদের ব্যাখ্যা করার
প্রয়োজন আছে। রাষ্ট্রের চরিত্র ধর্ম-নিরপেক্ষ না হলে সামাজিক কাঠামো ভেঙে পড়ে।
রাষ্ট্রের ভারসাম্য থাকে না। ধর্মীয় রাজনৈতিক শক্তিকে আটকাতেই ধর্ম-নিরপেক্ষ
শক্তির প্রয়োজন।







Comments
Post a Comment