কৃষক ধর্মে বিশ্বাস করে না শ্রেণিঐক্যে বিশ্বাস করে
দীপেন্দু চৌধুরী
আজও কৃষকরা সামাজিক সম্প্রীতির অন্যতম ভরসা। সমাজবিঞ্জানীদের বিশ্লেষণে
পাওয়া যায়, ভারতে হিন্দু বা মুসলমান অথবা শিখরা কখনও একটি স্বতন্ত্র জাতি বা
জাতিস্বত্বা হিসেবে পরিচিত ছিল না। নিজের নিজের সম্প্রদায়ে একান্ত ধর্মীয় বিশ্বাস
ও কিছু আনুষঙ্গিক আচার-আচরণ ছাড়া আলদাভাবে তাঁরা আদৌ সুনির্দিষ্ট সম্প্রদায় ছিল
কিনা এটা নিয়েও বিতর্ক আছে। ‘হিন্দু’ নামের কোনও সুসংহত সুনির্দিষ্ট
ধর্ম-সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব পর্যন্ত প্রাক ব্রিটিশ ভারতে ছিল না। ভারত নামক একটি
দেশের গর্ব করার মতো বিষয় ছিল, বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য এবং বিভিন্নতা ভিত্তিক ভারতীয়
সভ্যতার চিরায়ত এক সংস্কৃতি। বহুত্ববাদী সহনশীলতা, সহিষ্ণু ভারত। তাই সভ্যতার
প্রথম প্রহর থেকেই কৃষকের কোনও ধর্ম নেই। কৃষকের আছে শ্রেণি ঐক্য। তাঁদের জমির
জন্য লড়াই করতে হয়। তাঁদের রুটি-রুজির লড়াই করতে হয়। যেটা শ্রমিকদের ক্ষেত্রেও
সমানভাবে প্রযোজ্য। এই কথাও বহুবার সত্যে প্রমাণিত যে কৃষকঐক্যই পারে টালমাটাল
সমাজের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে।
২০১৩ সালে ‘হিন্দু-মুসলিম’ এবং ‘হিন্দু-জাঠ’ বিভাজন করে বিজেপি ২০১৪ সালের
লোকসভা ভোটে পুরো গোবলয় দখল করে। মুজফফরনগর পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে অবস্থিত। এখানে
কৃষকদের বড় অংশ জাঠ সম্প্রদায়ভুক্ত, ধর্মে হিন্দু। বরাবরই তাঁরা নিজেদের ‘জাঠ’ বলে
পরিচয় দিতে ভালবাসত। রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য সাম্প্রদায়িক শক্তি ২০১৩ সালে
এই অঞ্চলে সুপরিকল্পিতভাবে দাঙ্গা বাঁধায়। যার রেশ বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। এই
সাম্প্রদায়িক বিভাজনের শীর্ষে আরোহণ করে ও কর্পোরেট পুঁজি নিয়ন্ত্রিত মিডিয়ার
প্রপাগান্ডার সাহায্যে হিন্দুত্ববাদী সাম্প্রদায়িক শক্তি ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসে।
কৃষকরা এখন বলছে, আমাদের ভুল বোঝানো হয়েছিল। আমরা হিন্দু নই আমরা ‘জাঠ’।
আমরা কৃষক। কেন্দ্রের আনা তিন কৃষি বিল প্রত্যাহারের দাবিতে ‘সংযুক্ত কিসান
মোর্চা’-র নেতৃত্বে ভারতীয় কৃষকরা দিল্লি-হরিয়ানা সীমান্তে তিন মাস ধরে অবস্থান
আন্দোলনে বসে আছেন। ঠিক এই সময় উত্তরপ্রদেশের ‘মুজফফরনগর’ নতুন করে আলোচনায় উঠে
আসছে। ভারতের এক জটিল সামাজিক সাংস্কৃতিক আবহে এই বিষয়টা বর্তমানে অত্যন্ত
প্রাসঙ্গিক। অবশ্যই এক স্পর্শকাতর বিষয় হিসেবে। ৬ ফেব্রুয়ারি ছিল কৃষকদের ‘চাক্কা
জ্যাম’ কর্মসূচী। এই কর্মসূচীর প্রতিবেদন লেখার তাগিদে বিভিন্ন খবরের উপর নজর
রাখছিলাম। ‘দ্য ওয়ার’ নামে একটি পোর্টালের আরফা খানুম শেরওয়ানী এবং অজয় আশীর্বাদ
নামে দু’জন সাংবাদিক মুজফফরনগরে মহাপঞ্চায়েতের খবর করছিলেন। তাঁরা নিজেদের আলোচনায়
উল্লেখ করেন, যেখানে দাঁড়িয়ে আমরা খবর করছি ঠিক এখানেই ২০১৩ সালে দাঙ্গা সংগঠিত
হয়েছিল। সেই জায়গায় আজ সম্প্রীতির বাতাবরণ। মহাপঞ্চায়েতের মঞ্চে মুসলমানরা এসে
কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন জানাচ্ছে।
ওই দাঙ্গার পরে ২০১৩ সাল থেকে মুসলমান এবং জাঠেদের মধ্যে কোনওরকম সামাজিক
সম্পর্ক ছিল না। রাস্তা, বাজারে দেখা হলে পরস্পর পরস্পরকে এড়িয়ে চলতেন। মুখ ঘুরিয়ে
নিতেন। তারাই আজ এক মঞ্চে। পুরো বিষয়টা জানতে হলে আমাদের কয়েক বছর পিছনে চলে যেতে
হবে। জাঠ অধ্যুষিত পশ্চিম উত্তরপ্রদেশ অঞ্চল দখলে রাখতে পারলে দিল্লিতে যেমন সরকার
গঠন মসৃণ হয় পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের বিধাসভাও দখল করা যায়। এই দু’মুখী পরিকল্পনা
সামনে রেখে ২০১৩ সালে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহের নেতৃত্বে চিত্রনাট্য লেখা হয়। ২০১৪
সালের লোকসভা ভোটের আগে বিজেপির সুপরিকল্পিত এই পরিকল্পনা যথাযথভাবে কাজে লেগে
যায়। বিরোধীদের অভিযোগ, লোকসভা ভোটের আগে বিজেপি সংঘ পরিবারের হাত ধরে এক ভয়াবহ
দাঙ্গা সংগঠিত করে। গোপনে মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে প্রচার করার জন্য ‘ভিডিও’
বানান হয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্যও নেওয়া হয়েছিল গোষ্ঠী সংঘর্ষের ভুয়ো খবর
প্রচারের জন্য। সংবাদমাধ্যমের খবরে প্রকাশ, ২০১৩ সালের মুজফফরনগর
দাঙ্গায় একটি সম্প্রদায়ের দু’জনের মৃত্যু হয়। পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের
মল্লিকপুরা অঞ্চলে দাঙ্গা হয়। ৬৩ টি পরিবার ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়। প্রায় ৫০ হাজার
মানুষ দাঙ্গা কবলিত এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়। ‘’.........Malikpura locality of
Kawal on August 27, 2013, which triggered riots in western UP, leading to an
unprecedented communal tension between the Jats and Muslims in the region.
Sixty-three people had lost their lives and more than 50,000 people had
migrated to safer places.’’ National Herald, IANS,
8 Feb 2019
২০১৯ সালে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা অধিবেশনে এক বিধায়কের প্রশ্নের উত্তরে
মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ জানান, ২০১৩ সালে মুজফফরনগর দাঙ্গায় নওয়াব এবং শহীদ নামে
যে দু’জনের মৃত্যু হয়েছিল তাদের চরিত্র ভালো ছিল না। এবং আদর্শগত বিচ্যুতিও ছিল।
সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে উধৃত করে Scroll.in পোর্টালে ২০১৯ সালের ২৫ জুলাই খবর প্রকাশ হয়, ‘’The state government has
issued 10 different notifications over the last six months to withdraw a
total of 74 riot cases,’’ said Additional District Majistrate Amit Kumar Singh.
‘’The government however, is yet to get permission to withdraw even a single
case.’’ প্রাসঙ্গিকভাবেই উল্লেখ করতে হয় মুজাফফরনগর দাঙ্গায় অভিযুক্ত যথাক্রমে
প্রহ্লাদ, বিশণ সিং এবং তেন্ডু নামের তিনজন জামিন পেয়ে যায়।
উত্তরপ্রদেশে ৮০টি লোকসভা কেন্দ্রে মোট ৬ দফায় ভোট হয়েছিল। ৭৮টি আসনে
প্রার্থী দিয়ে বিজেপি মুজফফরনগর, সাহারনপুর, কৈরানা, বিজনোর সহ মোট ৭১ টি কেন্দ্রে
নিজেদের জয় সুনিশ্চিত করে। শতাংশের হিসেবে ভোট পায় ৪২.৩০ শতাংশ। এই বছরের লোকসভা
নির্বাচনে ৬১টি আসন বাড়িয়ে নিতে সক্ষম হয় বিজেপি নামক দলটি। উত্তরপ্রদেশে নিজদের
৭১টি আসন এবং আপনা দলের ২টি আসন, মোট ৭৩টি আসন প্রাপ্তির সুবাদে কেন্দ্রে নরেন্দ্র
মোদীর নেতৃত্বে সরকার গঠন আরও মসৃণ হয়ে যায়। সমাজবাদী পার্টির নেতৃত্বে তৃতীয়
ফ্রন্ট ৭৮টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মাত্র ২টি আসন জিততে পারে। ভোট পায় ২২.২০
শতাংশ। কংগ্রেস ৬৬টি কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়ে মাত্র ২টি আসন ধরে রাখতে পারে। ভোট
পায় ৭.৫ শতাংশ। রাষ্ট্রীয় লোকদল এবং বহুজন সমাজ পার্টি খাতা খুলেতেই পারেনি। সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস এবং বহুজন সমাজ
পার্টি সর্বমোট ৫৯টি আসনে বিজেপির কাছে সে বছরের নির্বাচনে হেরে যায়। এতটা
বিস্তারিত উল্লেখ করার একটাই কারণ। বিজেপির ভোট ব্যাঙ্ক যেহেতু হিন্দু সম্প্রদায়
সেই অঙ্ক মাথায় রেখে, লোকসভা ভোটের আগে সাম্প্রদায়িক তাস খেলে বিজেপি। তার ফল হাতে
হাতে পেয়ে যায় তাঁরা।
বিজেপি নামে দলটির এই অ্যাজেন্ডা মাত্র তিন দশকের নয়। ১৯৪৯ সালের ডিসেম্বর
মাসে কলকাতায় অখিল ভারত হিন্দু-মহাসভার অধিবেশন হয়। ভারত স্বাধীন হওয়ার পর
হিন্দু-মহাসভার প্রথম অধিবেশন ছিল সে বছর। এই অধিবেশন থেকেই হিন্দু-মহাসভার
নেতৃত্বে স্পষ্টভাবে ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ গড়ে তোলার দাবিকে সামনে আনা হয়। হিন্দু-
মহাসভার লক্ষ হিসেবে পরিষ্কার ভাষায় উল্লেখ করা হয়, ‘অখন্ড হিন্দুস্থান’। আর
‘উদ্দ্যশ্য’ হিসেবে বলা হয়, ‘হিন্দু রাষ্ট্র’, হিন্দু জাতি হিন্দুসমাজের উন্নতি।
এই অ্যাজেন্ডাকে বাস্তবায়িত করতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করতে হবে।
তিন বিতর্কিত কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে তিন মাস ধরে চলা কৃষক আন্দোলন
উত্তরভারত তথা ‘গোবলয়’ নামক অঞ্চলের সামাজিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আমাদের নতুন করে
ভাবতে বলছে। কারণ আরও একটি খবর আমাদের নজরে এসেছে। ৬ ফেব্রুয়ারির আগে উত্তরপ্রদেশ
থেকে নির্বাচিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার এক সহকর্মী, উত্তরপ্রদেশ বিধানসভার এক
বিধায়ক সহ নিজেদের দলবল নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সঞ্জীব বলিয়ান শামলী নামে একটি জাঠ
অধ্যুষিত বর্ধিষ্ণু গ্রামে গিয়েছিলেন। কৃষকদের বোঝাতে। তিনি অঞ্চলের কৃষকদের
অনুরোধ করেছিলেন, গাজিপুর সীমান্তের বিক্ষোভে যেন কেউ না যায়। আর গ্রাম থেকে
কয়েকজন গিয়ে বিক্ষোভরত কৃষকদের বোঝাক, কেন্দ্রের আনা তিন কৃষি আইনে কৃষকদের ভালো
হবে। সেই সাথে প্রাধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সমর্থনে যেন তাঁরা স্লোগান দেয়। এদিন
স্থানীয় জাঠ নেতৃত্ব গর্জে ওঠেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে গ্রামে ঢুকতেই দেওয়া হয়নি।
ট্রাক্টর দিয়ে গ্রামে ঢোকার সব রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। কৃষকরা জানিয়ে দেয়,
আন্দোলনে ২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে, আপনারা তাঁদের জন্য কি করছেন। কেন্দ্রীয়
মন্ত্রীসহ অন্যান্য বিজেপি নেতাদের গ্রাম থেকে চলে যেতে বাধ্য করেন জাঠ
সম্প্রদায়ের নেতৃত্ব। সেদিন উত্তরপ্রদেশের ১০টি অঞ্চলে কৃষক মহাপঞ্চায়েত বসেছিল।
মুসলিম সম্প্রদায়ের হাজার হাজার মানুষ ‘জাঠ-মুসলমান’ সামাজিক দ্বন্দ-বিভেদ ভুলে এই
সব মহাপঞ্চায়েতে যোগদান করে। শ্যামলী গ্রাম থেকে মুসলিম মহিলারা কারুকাজ করা
সুদৃশ্য মাটির কলসীতে করে পানীয় জল নিয়ে যায়। শয়ে শয়ে মহিলা নিজদের মাথায় করে এই
কলসী নিয়ে যায় গাজিপুর ধর্নাস্থলে।
সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে এক মহিলা বলেন, রাকেশজির জন্য পানী নিয়ে যাচ্ছি।
মুজফফরনগর থেকেও মুসলিম সম্প্রদায়ের কৃষকরা খাবার, পানীয় জল নিয়ে গাজিপুর সীমান্তে
পৌঁছে যায়। মুসলিম সম্প্রদায়ের এক কৃষক বলেন, রাকেশ টিকায়েতের জন্য এখন পানী নিয়ে
যাচ্ছি। আমরা শুনেছি সরকার থেকে পানী সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। ব্যতিক্রমী এবং বিরল
দৃশ্য অপেক্ষা করছিল আমাদের জন্য। যে দৃশ্য মূলধারার প্রথম শ্রেণির সংবাদ মাধ্যম
আমাদের জানায়নি। জাঠ কৃষক নেতা রাকেশ তিকায়েতকে এক মুসলিম কৃষক স্টেনলেস স্টীলের
গ্লাসে জল এগিয়ে দেয়। রাকেশ টিকায়েত মুসলিম সম্প্রদায়ের কৃষকের হাত থেকে জলের গ্লাস
নিয়ে জল খান।
মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ‘’কৃষকদের যদি কেউ বাঁচিয়ে থাকেন তিনি ভগবান,
তিনি আল্লা। আমরা জমির লোক। বিজেপি আমাদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করেছিল। আমাদের না
আছে কোনও ধর্ম, না আছে কোনও জাত। আমরা হিন্দু নই। আমরা জাঠ। আমরা কৃষক। আমরা
শ্রেণিঐক্যে বিশ্বাস করি।‘’
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্য, পশ্চিম উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা সহ উত্তর ভারতে
বিজেপি রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা হারাতে বসেছে। কৃষক আন্দোলন সারা ভারতকে নতুন করে
পথ দেখাচ্ছে। ইতিহাসের পাতা থেকেও আমরা খুঁজে পাব ব্রিটিশ ভারতে কৃষকদের আন্দোলনের
প্রসঙ্গ। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন করেছিলেন, শহীদ ভগৎ সিংহের কাকা অজিত সিংহ। ১৯০৭
সালে ব্রিটিশদের আনা তিন কৃষক বিরোধী আইনের বিরুদ্ধে ‘’পাগড়ী সম্ভাল জাট্টা’’
আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন তিনি। শ্রেণিঐক্যে বিশ্বাসী ভারতীয় কৃষক এক দৃঢ় এবং অনড়
মনোভাব নিয়ে আন্দোলন করছেন। দিল্লি থেকে আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন
রাজ্যে। দাবি একটাই, কেন্দ্রের আনা তিন কৃষক বিরোধী আইন বাতিল করতে হবে। ২৩
ফেব্রুয়ারি রাকেশ টিকায়েত রাজস্থানের সীকরে সংসদ ঘেরাওয়ের কর্মসূচী ঘোষণা করেছেন।
মহাপঞ্চায়েতের মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, ‘’আমরা সংসদ ঘেরাও অভিযান করব। এবার ৪ লাখ নয়।
৪০ লাখ ট্র্যাক্টর নিয়ে আমরা দিল্লিতে ঢুকব। ঘেরাওয়ের তারিখ সংযুক্ত মোর্চা পরে
জানিয়ে দেবে। কৃষকদের তৈরি থাকার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।‘’






Comments
Post a Comment